অর্থ বিভাগ জানায়, এর মধ্যে ২৪ হাজার কোটি টাকা জ্বালানি খাতের ভর্তুকিতে, ১৫ হাজার কোটি টাকা কৃষি ঋণ সহায়তা ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে, এবং ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে। ফলে পে স্কেলের জন্য অবশিষ্ট অর্থ মাত্র ৯৬১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।
সরকারি সূত্রের মতে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ও বাড়তি আমদানি ব্যয়ের কারণে চলতি অর্থবছরে নতুন পে স্কেল কার্যকর করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
চাও আমি এটাকে আরও সোশ্যাল মিডিয়া রেডি ভার্সন বানিয়ে দিই ১ লাইনে?