বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, করাচি বন্দরসহ মোট ছয়টি কৌশলগত রুট এই ট্রানজিট ব্যবস্থার আওতায় থাকবে।
পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই উদ্যোগের ফলে গত কয়েকদিন ধরে করাচি বন্দরে আটকে থাকা ইরানগামী তিন হাজারেরও বেশি কন্টেইনারের জট দ্রুত নিরসন হবে। ঘোষিত রুটগুলোর মধ্যে গাবদ-গোয়াদার, তাফতান-কোয়েটা এবং করাচি পোর্ট কাসিমের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মূলত মার্কিন নৌ-অবরোধের নেতিবাচক প্রভাব কাটিয়ে উঠতে এবং দ্বিপাক্ষিক সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতেই পাকিস্তান এই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।